ইসলামী বিজ্ঞানের আলোকে মহাকর্ষ বল মহাকর্ষের IRRSTC তত্ত্ব মহাকর্ষ বল اِنَّ اللّٰهَ یُمۡسِکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ اَنۡ تَزُوۡلَا ۬ۚ وَ لَئِنۡ زَالَتَاۤ اِنۡ اَمۡسَکَهُمَا مِنۡ اَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِهٖ ؕ اِنَّهٗ کَانَ حَلِیۡمًا غَفُوۡرًا ﴿۴۱﴾ ফাতিরঃ৪১ নিশ্চয় আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনকে ধরে রাখেন যাতে এগুলো স্থানচ্যুত না হয়। আর যদি এগুলো স্থানচ্যুত হয়, তাহলে তিনি ছাড়া আর কে আছে, যে এগুলোকে ধরে রাখবে? নিশ্চয় তিনি পরম সহনশীল, অতিশয় ক্ষমাপরায়ণ। আল-বায়ান আল্লাহই আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন যাতে ও দু’টো টলে না যায়। ও দু’টো যদি টলে যায় তাহলে তিনি ছাড়া কে ও দু’টোকে স্থির রাখবে? তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল। তাইসিরুল আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করেন যাতে ওরা স্থানচ্যূত না হয়, ওরা স্থানচ্যূত হলে তিনি ব্যতীত কে ওদেরকে সংরক্ষণ করবে? তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ। মুজিবুর রহমান Indeed, Allah holds the heavens and the earth, lest they cease. And if they should cease, no one could hold them [in place] after Him. Indeed, He is Forbearing and Forgiving. Sahih International اِنِّیۡ تَوَ...
Popular posts from this blog
মানবি মস্তিষ্কঃ থ্রি পাউন্ড ইউনিভার্স বা চৌদ্দ শ গ্রাম ভরের মহাবিশ্ব
IRRSTC 2 মানবি মস্তিষ্কঃ থ্রি পাউন্ড ইউনিভার্স বা চৌদ্দ শ গ্রাম ভরের মহাবিশ্ব বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের দিক বিবেচনা করলে মানুষ এখন অনেক দূর এগিয়ে গেছে । মহাবিশ্বের কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরের কোনো গ্যালাক্সির নক্ষত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যে । পৃথিবীতে বসে মঙ্গল গ্রহে পাঠিয়ে দিয়েছে স্বয়ংক্রিয় রোবট , ভবিষ্যতের মানুষের জন্য বাসযোগ্য নতুন পৃথিবী খুঁজতে । মহাবিশ্বের বিস্ময়কর রহস্যের আবরণ সরাতে শুরু করেছে মানুষ কয়েক শ বছর আগে থেকেই । অথচ মানুষ এখনো নিজের শরীরের সব কটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজকর্ম কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় , তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হদিস পায়নি । যে মহাবিশ্বে আমাদের বাস , সেই জটিল মহাবিশ্বের মতো জটিলতা রয়েছে আমাদের প্রত্যেকের মস্তিষ্কে । সে কারণেই আমাদের মস্তিষ্ককে বলা হয় থ্রি পাউন্ড ইউনিভার্স বা চৌদ্দ শ গ্রাম ভরের মহাবিশ্ব । আমাদের শরীর ও মনের সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। মানুষের মস্তিষ্কের গড় ভর এক কেজি চার শ গ্রামের মতো। ছোট্ট একটা ফুলকপির সাইজে...
THE MUSLIM: NATION OF THE KINGS যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী!
যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী! যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী! খলিফা আল মানসুর রাজকীয় কার্য থেকে একটু অবসর পেলেই আব্বাসীয় খলিফা আল মানসুর জ্যোতিবিজ্ঞান গবেষণায় ডুবে যেতেন। তাঁকে ইসলামী বিজ্ঞান জগতে জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনকও বলা যায়। কারণ তিনিই আরবের প্রথম জ্যোতির্বিজ্ঞানী। এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত ইউরোপীয় ঐতিহাসিক মিঃ বোসো বলেন, “আরব জ্যোতির্বিদদের মধ্যে খলীফা আল-মনসুর সর্ব প্রথম” । রাজধানী এবং জ্ঞান-ইবিজ্ঞানের পীঠস্থান রূপে বাগদাদের ভিত্তি স্থাপক হিসাবেও খলিফা আল মানসুর অনন্য। উল্লেখ্য, আল মানসুরই প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপের দ্বারা আরব বৈজ্ঞানিক ও খলীফাদের উৎসাহ এবং পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রীক, রোম, আর্য প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকারের দর্শন বিজ্ঞান প্রভৃতির ব্যাপকভাবে অনুবাদ শুরু হয়। ফলে বিজ্ঞান আজো পৃথিবীতে বেঁচে আছে। ইসহাক আল-ফাজারী, ইয়াকুব ইবনে তারিক, আবু ইয়াহিয়া আল বাতরিক, নও-বখত, মাশাল্লাহ প্রমূখ বৈজ্ঞানিক মনসুরের রাজ-দরবারের সভাসদ ছিলেন। প্রাচীন বিশ্ব সভ্যতার স্মারক গ্রন্থের অনুবাদ কর্মে মধ্যযুগীয় মুসলিম জ্ঞানী-বিজ্ঞানীর ভূমিকা প্রাচীন গ্রীক বিজ্ঞান সংরক্ষণে মুসলিম ব...
Comments
Post a Comment