ইসলামী বিজ্ঞানের আলোকে মহাকর্ষ বল মহাকর্ষের IRRSTC তত্ত্ব মহাকর্ষ বল اِنَّ اللّٰهَ یُمۡسِکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ اَنۡ تَزُوۡلَا ۬ۚ وَ لَئِنۡ زَالَتَاۤ اِنۡ اَمۡسَکَهُمَا مِنۡ اَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِهٖ ؕ اِنَّهٗ کَانَ حَلِیۡمًا غَفُوۡرًا ﴿۴۱﴾ ফাতিরঃ৪১ নিশ্চয় আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনকে ধরে রাখেন যাতে এগুলো স্থানচ্যুত না হয়। আর যদি এগুলো স্থানচ্যুত হয়, তাহলে তিনি ছাড়া আর কে আছে, যে এগুলোকে ধরে রাখবে? নিশ্চয় তিনি পরম সহনশীল, অতিশয় ক্ষমাপরায়ণ। আল-বায়ান আল্লাহই আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন যাতে ও দু’টো টলে না যায়। ও দু’টো যদি টলে যায় তাহলে তিনি ছাড়া কে ও দু’টোকে স্থির রাখবে? তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল। তাইসিরুল আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করেন যাতে ওরা স্থানচ্যূত না হয়, ওরা স্থানচ্যূত হলে তিনি ব্যতীত কে ওদেরকে সংরক্ষণ করবে? তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ। মুজিবুর রহমান Indeed, Allah holds the heavens and the earth, lest they cease. And if they should cease, no one could hold them [in place] after Him. Indeed, He is Forbearing and Forgiving. Sahih International اِنِّیۡ تَوَ...
Popular posts from this blog
The Holy Islam: A Tolerant Human Life System or Religion.
The Holy Islam: A Tolerant Human Life System or Religion. -Muhammad Sheikh Ramzan Hossain Indeed, the holy Islam is a tolerant full human life system or religion. It should be noted that the day of the conquest of Mecca was the living fruit of the 23 years of extreme persecution by the Quraish(against source of Muslim) to the Great Prophet, the pioneer of world peace, Muhammad, the Messenger of Allah (peace be upon him) and his followers. But the day of “ Yamul Fateh Makka ” i.e., the conquest of Makka, was an unprecedented "General Amnesty day" for the opponents. One incident after the conquest of Makka an old woman of the defeated party was fleeing on foot with a bag and bagged for fearing of revenge but she felt burden due to heavy weight. As a result, the old woman gasped. Seeing this, a kin...
THE MUSLIM: NATION OF THE KINGS যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী!
যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী! যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী! খলিফা আল মানসুর রাজকীয় কার্য থেকে একটু অবসর পেলেই আব্বাসীয় খলিফা আল মানসুর জ্যোতিবিজ্ঞান গবেষণায় ডুবে যেতেন। তাঁকে ইসলামী বিজ্ঞান জগতে জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনকও বলা যায়। কারণ তিনিই আরবের প্রথম জ্যোতির্বিজ্ঞানী। এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত ইউরোপীয় ঐতিহাসিক মিঃ বোসো বলেন, “আরব জ্যোতির্বিদদের মধ্যে খলীফা আল-মনসুর সর্ব প্রথম” । রাজধানী এবং জ্ঞান-ইবিজ্ঞানের পীঠস্থান রূপে বাগদাদের ভিত্তি স্থাপক হিসাবেও খলিফা আল মানসুর অনন্য। উল্লেখ্য, আল মানসুরই প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপের দ্বারা আরব বৈজ্ঞানিক ও খলীফাদের উৎসাহ এবং পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রীক, রোম, আর্য প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকারের দর্শন বিজ্ঞান প্রভৃতির ব্যাপকভাবে অনুবাদ শুরু হয়। ফলে বিজ্ঞান আজো পৃথিবীতে বেঁচে আছে। ইসহাক আল-ফাজারী, ইয়াকুব ইবনে তারিক, আবু ইয়াহিয়া আল বাতরিক, নও-বখত, মাশাল্লাহ প্রমূখ বৈজ্ঞানিক মনসুরের রাজ-দরবারের সভাসদ ছিলেন। প্রাচীন বিশ্ব সভ্যতার স্মারক গ্রন্থের অনুবাদ কর্মে মধ্যযুগীয় মুসলিম জ্ঞানী-বিজ্ঞানীর ভূমিকা প্রাচীন গ্রীক বিজ্ঞান সংরক্ষণে মুসলিম ব...
Comments
Post a Comment