Posts

STRING THEORY AND THE HOLY ISLAM

 STRING THEORY AND THE HOLY ISLAM ٧ - وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ◯ B y the Sky With (its) numerous Paths, (Source: Sūra 51: Zāriyāt, or the Winds that Scatter, Ayat: 7,Verses 60 — Makki; Revealed at Makka — Sections 3, https://quranyusufali.com/51/) হুবুক حُبُك শব্দের বহুবচন “হাবিকাহ حَبِيكَة এবং হাবকাহ حَبكَة ”, হাবখ حَبك (অসীম) অর্থটি "পোশাক, ক্রোশেট, বুনন...ব্যবহারের সাথে যুক্ত:   حَبَك the garment = তিনি পোশাক বুনেন। অতএব, হুবুক حُبُك অর্থঃ বুনন, টেক্সচার। কুরআনে, আকাশকে বর্ণনা করা হয়েছে: (তার) হুবুক সহ আকাশ ” وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ” (সূরা আদ-দারিয়ত আয়াত ৭), মহান কুরআনের ব্যাখ্যায় ইবনে কাছীর ১৩তম, এর তিনটি অর্থ একত্রিত করে। এই শব্দটি: তারার সাথে আকাশ, ঘন জমিনের মতো আকাশ, ঘন পোশাক, পথ সহ আকাশ। মহাজাগতিক তার (Cosmic string) বর্তমান বিজ্ঞানে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ। এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্ব...

Gravity:Super Surprise!

 Gravity:Super Surprise! A. It is impossible to imagine a place without gravitational force (Science Thought, March, 2020, page 21). IRRSTC's comments: So, more or less gravitational force is supposed to be on every planet-satellite. b. “Where the force of gravity is less, the less you weigh, the lighter you feel. And where gravity is strong, you will struggle to lift your feet” (Science Thought, March, 2020, p. 21). IRRSTC's Commentary: This clearly shows that gravity is a type of celestial force that is difficult to lift our legs from the places where the force of gravity is strong due to downward pressure. c. “What we know as gravitational mass, which causes us to feel heavy and light, is actually weight (Science Thought, March, 2020, Year 4, Issue 06, Page 20). The IRRSTC believes that the light of black hole's event horizon (event horizon) cannot return  due to the gravitational pressure exerted by the black hole at high velocity. Note that because of the low gravitati...

মহাকর্ষঃমহাবিশ্বের অনন্ত বিস্ময়

 মহাকর্ষঃমহাবিশ্বের অনন্ত বিস্ময় ক. মহাকর্ষ বল শুন্য কোনো স্থানের কল্পনা করাও অসম্ভব (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)। IRRSTC এর  ভাষ্যঃ সুতরাং, ‌কম-বেশি মহাকর্ষ বল প্রতিটি গ্রহ-উপগ্রহে থাকার কথা। খ. “মহাকর্ষ বলের প্রাবল্য যেখানে কম, সেখানে আপনার ওজন কম হবে, নিজেকে তত হালকা মনে করবেন আপনি। আর মহাকর্ষের প্রাবল্য খুব বেশি যেখানে, সেখান থেকে পা তুলতেই আপনি হিমশিম খাবেন” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)। IRRSTC এর  ভাষ্যঃ এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, মহাকর্ষ ওজনদার এক প্রকার মহাকাশীয় শক্তি যা উপর থেকে নীচের দিকে চাপের কারণে মহাকর্ষের প্রাবল্য খুব বেশি যেখানে, সেখান থেকে পা তুলতেই হিমশিম খেতে হয়। গ. “মহাকর্ষীয় ভর বলে আমরা যেটাকে জানি, যার কারণে আমাদের ভারী ও হালকা অনুভূতি হয়, সেটা আসলে ওজন (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২০)। IRRSTC মনে করে, ব্ল্যাকহোলের ইভেন্ট হরিজনে (ঘটনা দিগন্ত) প্রবল বেগে মহাকর্ষ প্রবেশ করার কারণে মহাকর্ষের প্রবল চাপে আলো পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে না। উল্লেখ্য, চাঁদে মহাকর্ষ বল কম বিধায় ১৯৬৯ জুলাই মাসে নাসা কর্তৃক উৎক্ষে...

5th Annual (2018-2013) Final Research Paper of IRRSTC- 2024

  5th Annual (2018-2013)   Final Research   Paper of   IRRSTC- 2024 “প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে”(ফারাবী আল আরাবী) বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? কি দিয়ে? এবং কেন? এই মৌলিক তিনটি প্রশ্নের মধ্যে ফিজিক্স নামক পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছেঃ বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? কি দিয়ে? এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় এভাবেঃ প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না। আমরা সাধারণ মানুষ জানি   লোহা দিয়ে ইস্পাত হয়, ইস্পাত থেকে যাবতীয় কলকব্জা, যন্ত্র, মেশিন তৈরি হয়, যেমন গম দিয়ে আটা হয়, আটা দিয়ে ময়দা হয়, ময়দা দিয়ে রুটি বিস্কুট,কেক ইত্যাদি হয়, অনুরূপ ধান দিয়ে চাল হয়, চাল দিয়ে ভাত, শিরনী,ফিরনী,নানান রকমের পিঠা-পুলী   ইত্যাদি তৈরি হয় অর্থাৎ এসবের মূল হচ্ছে লোহা, গম এবং ধান। একইভাবে মহাবিশ্বেরও মূল রয়েছে। এই মূল অনুসন্ধানের জন্য বিজ্ঞানীরা বেছে নিয়েছেন মহাবিশ্বের তিন প্রধান উপরোক্ত প্রশ্নের প্রথম প্রশ্নঃ বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? "Every matter reaches the root" (Farabi al-Arabi). Big Bang and how the universe was born...

“প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে”(ফারাবী আল আরাবী)

“প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে”(ফারাবী আল আরাবী) বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? কি দিয়ে? এবং কেন? এই মৌলিক তিনটি প্রশ্নের মধ্যে ফিজিক্স নামক পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছেঃ বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? কি দিয়ে? এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় এভাবেঃ প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না। অআমরা সাধারণ মানুষ জানি   লোহা দিয়ে ইস্পাত হয়, ইস্পাত থেকে যাবতীয় কলকব্জা, যন্ত্র, মেশিন তৈরি হয়, যেমন গম দিয়ে আটা হয়, আটা দিয়ে ময়দা হয়, ময়দা দিয়ে রুটি বিস্কুট,কেক ইত্যাদি হয়, অনুরূপ ধান দিয়ে চাল হয়, চাল দিয়ে ভাত, শিরনী,ফিরনী,নানান রকমের পিঠা-পুলী   ইত্যাদি তৈরি হয় অর্থাৎ এসবের মূল হচ্ছে লোহা, গম এবং ধান। একইভাবে মহাবিশ্বেরও মূল রয়েছে। এই মূল অনুসন্ধানের জন্য বিজ্ঞানীরা বেছে নিয়েছেন মহাবিশ্বের তিন প্রধান উপরোক্ত প্রশ্নের প্রথম প্রশ্নঃ বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম কীভাবে? মডার্ণ কসমোলজিক্যাল এ প্রশ্নের মোটামুটি প্রায় মূলে পৌঁছে গেছে এই উত্তরেঃ বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছিল Highest Energetic Radiation এ মহাবিস্ফোরণের ফলে।বিজ্ঞানীদের এই উত্তর...

চাঁদ দেখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

 চাঁদ দেখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কবে বাংলাদেশে রমজানের চাঁদ দেখা যাবে, যা বলছে বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ আগামী ১০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যে এবং ১১ মার্চ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে রমজানের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে আরব আমিরাতভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ১০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের কোথাও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। এমনকি টেলিস্কোপ দিয়েও চাঁদ দেখা যাবে না। কিন্তু পরের দিন ১১ মার্চ আকাশ পরিষ্কার থাকা সাপেক্ষে সৌদিসহ অন্যান্য আরব দেশে স্পষ্টভাবে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যাবে। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও ১১ মার্চ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ‘ক্রিসেন্ট মুন ওয়াচ’। চাঁদ দেখতে পাওয়ার কিছু নির্ণায়ক রয়েছে। প্রথমটি হলো — সূর্য অবশ্যই দিগন্তের নিচে থাকতে হবে। এর কারণ নতুন জন্ম হওয়া অস্পষ্ট অর্ধচন্দ্র দেখতে হলে পর্যাপ্ত অন্ধকার প্রয়োজন। দ্বিতীয় হলো — চাঁদকে অবশ্যই দিগন্তের ওপর থাকতে হবে। আর তৃতীয়টি হলো — আকাশে চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান থাকতে হবে। এ ব্যবধানটিকে ‘...